October 24, 2026, 4:23 am
শিরোনাম :
ফেসিয়াল প্লাস্টিক সার্জারি: চিকিৎসা বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মেলবন্ধন বিটিভি: ​চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিচার ও অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ ছাড়া বিটিভির আধুনিকায়ন কেবলই অর্থের অপচয়  শিশুর হাসিতে ফিরুক আত্মবিশ্বাস: প্লাস্টিক সার্জারিতে নিখুঁত রূপ পাচ্ছে বিকৃত ক্ষতচিহ্ বিটিভি কর্মীর মৃত্যু, তিন মাসের বেতন বকেয়ার প্রশ্ন—রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কি লাল ফিতার ফাঁদে? তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানার অপসারণ দাবি: বিটিভি বাঁচাও ও সমমনা জোটের কঠোর হুঁশিয়ারি মেধা বনাম আমলাতন্ত্র: বিটিভির ডিজির ক্ষমতা খর্বের নেপথ্যে কী? শিল্পকলা একাডেমিতে মিউজিক্যাল চেয়ার: রেজাউদ্দিন স্টালিনের মেয়াদ শেষ, সংস্কৃতি অঙ্গনে নতুন গুঞ্জন “সাংবাদিকরা বিত্তবান হতে চায় না, চায় নিরাপত্তা ও ন্যায্য বেতন”— জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যকে সাধুবাদ, পার্থর দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষা শিলংয়ে জন্ম, চট্টগ্রামের সঙ্গে পারিবারিক যোগ—যে ব্রিটিশ উদ্ভাবক বদলে দিলেন টাকা তোলার ইতিহাস! ​বিটিভির জন্য বড় দুঃসংবাদ: হাজার কোটি টাকার দুর্নীতিবাজ মনিরুলই হতে চলেছেন প্রধান প্রকৌশলী!
Notice :

বিটিভিতে দুর্নীতিবাজ চক্র এখনো অক্ষত: তদন্ত প্রতিবেদনে ভয়ংকর তথ্য ফাঁস

খালিদ খলিল

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের ১৫ মাস পরও বিটিভিতে রয়ে গেছে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ক্ষমতাশালী দোসরদের এক অদৃশ্য সিন্ডিকেট। এনএসআই, দুদক এবং বিটিভির নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণ মিললেও রহস্যজনক কারণে একটিরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে—এই চক্র তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে লালফিতার আড়ালে সব প্রতিবেদন আটকে রেখেছে।

সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম, যিনি সিগন্যাল সিস্টেম ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পে কারচুপি করে ঠিকাদারকে অনিয়মিত বিল দেন। দুদক তার সম্পদের হিসাব তলব করলেও তিনি এখনো উচ্চপদে বহাল।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাহী প্রযোজক ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সফির হোসাইন—যার বিরুদ্ধে জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে—তাকেও সরানো হয়নি।

এছাড়া ঢাকা কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ সেলিম—বহুল আলোচিত দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে পরিচিত—অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁর পদ অক্ষুণ্ন রয়েছে। ডেপুটি ডিরেক্টর নিউজ ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ এবং অনুষ্ঠান নির্বাহী মাহবুবা ফেরদৌস-এর বিরুদ্ধেও তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললেও তারা বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রতিবেদনের সূত্র জানায়—এই চক্র এখনো পতিত সরকারের পলাতক প্রভাবশালীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম, কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কারোরই মন্তব্য পাওয়া যায়নি—একাধিক ফোনকল, বার্তা ও অনুরোধ সত্ত্বেও।

বিটিভির শিল্পী-কর্মীরা বলছেন—“অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে, কিন্তু বিটিভি এখনো দুর্নীতিমুক্ত হয়নি।”

সূত্র: এনএসআই তদন্ত প্রতিবেদন, দুদক অনুসন্ধান নথি, বিটিভি বিভাগীয় তদন্ত রিপোর্ট, যুগান্তর অনুসন্ধান।