
“রুদ্ধশ্বাস ২৪ ঘণ্টা: পরাজিত হলো বিটিভির দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট”
অবশেষে সত্যের জয় হলো! দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার এক রুদ্ধশ্বাস উৎকণ্ঠা কাটিয়ে আমি আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি।

আপনারা জানেন, রাষ্ট্রীয় একমাত্র সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)-এর দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অচলাবস্থা, সীমাহীন দুর্নীতি, এবং বর্তমান ডিজির প্রশাসনিক অদক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন আমি জনস্বার্থে শেয়ার করে আসছিলাম। বিশেষ করে অনলাইন পোর্টাল ‘আমার টেলিভিশন’-এর প্রতিবেদনগুলো এবং আমার ব্যক্তিগতভাবে সংগ্রহ করা অকাট্য তথ্য-প্রমাণ (যা ইতিমধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং দুদক কর্তৃক প্রমাণিত) জাতির সামনে তুলে ধরাকে আমি নৈতিক দায়িত্ব মনে করেছি।
এই সত্য প্রকাশই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল দুর্নীতিবাজ চক্রের জন্য। তাদের অন্যায়ের ভিত কেঁপে ওঠায় তারা কাপুরুষের মতো ‘Mass Reporting’-এর পথ বেছে নেয়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘Spam’ বা ‘Harassment’-এর মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমার আইডিটি ১৮০ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল এবং আইডিটি ‘Not Found’ হয়ে যায়।
কিন্তু মিথ্যার দেয়াল ভেঙে সত্যের আলো আসবেই। আমার আবেদনের (Appeal) প্রেক্ষিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছে। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, আমার অ্যাকাউন্টটি তাদের কোনো নীতিমালা ভঙ্গ করেনি। আজ আমার আইডিটি সচল করার মাধ্যমে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের সাময়িক ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
উপসংহার:
এই জয় কেবল আমার ব্যক্তিগত জয় নয়, এটি ন্যায়ের জয়। এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—বিটিভি’র দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট এবং ডিজির অদক্ষতা নিয়ে আমি যা তুলে ধরেছি, তা শতভাগ সত্য ছিল। আজ নীতি ও আদর্শের কাছে হেরে গেলেন বিটিভি’র সেই দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট এবং ডিজি। ষড়যন্ত্র করে সত্যের কণ্ঠরোধ করা যায় না।
আমি ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই নিরপেক্ষ বিচারের জন্য। আর যারা এই বিপদে পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চলবেই।
#বিটিভি #স্বচ্ছতা #জনস্বার্থ #বাংলাদেশটেলিভিশন #TruthPrevails #Justicia #স্বচ্ছতা #transparency
