
“মধ্যবাড্ডায় ভিক্টর পরিবহনের বেপরোয়া গতির কাছে অসহায় সাধারণ মানুষ”
৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় সংঘটিত এক ভয়ংকর দুর্ঘটনা নগর পরিবহনের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার চিত্র স্পষ্ট করে তোলে। ভিক্টর পরিবহনের একটি লোকাল বাস দ্রুতগতিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি মালবাহী ভ্যান রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তার পাশের ড্রেনে ফেলে দেয়। এরপর বাসটি দু’বার দুলে রাস্তার মাঝখানে গিয়ে থেমে যায়। এতে তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
৯৯৯-এ ফোনের পর বাড্ডা থানা পুলিশ আধা ঘণ্টা পরে এসে জানায়, বিষয়টি তাদের আওতাভুক্ত নয়। মাত্র ১০০ গজ দূরে থাকা ট্রাফিক পুলিশেরও কোনো তাৎক্ষণিক ভূমিকা দেখা যায়নি। পরে ৪০ মিনিট পর ট্রাফিক সার্জেন্ট এসে দোষ চাপাতে চান অনুপস্থিত ভ্যানচালকের ওপর। সচেতন নাগরিকরা বাসটি আটকে রাখলেও শেষ পর্যন্ত পরিবহন নেতাদের উপস্থিতিতে ঘটনা সমঝোতায় ধামাচাপা পড়ে যায়। রাজপথে তাই প্রশ্ন থেকেই যায়—আইন কাদের জন্য?