
‘সুরমাল্য’ মঞ্চে প্রাণেশ দে—শিক্ষাগুরু সানু দাশগুপ্ত ও দুলাল কান্তি দে’র প্রেরণায় এক দুর্লভ যাত্রা”
২৮ মার্চ ২০২৬, চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে “সুরমেলা সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র” আয়োজিত ‘সুরমাল্য’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য সুরের আসরে।
“আমার টেলিভিশন”-এর ক্যামেরায় ধরা পড়ে মাত্র ৭ বছর বয়সী এক শিশু শিল্পীর বিস্ময়কর পরিবেশনা—প্রাণেশ দে।
তার হাওয়াইয়ান গিটারের সুরের সাথে অর্কেস্ট্রেশনের এমন সুনিপুণ মেলবন্ধন মিলনায়তনজুড়ে সৃষ্টি করে এক মোহময় আবহ। দর্শক-শ্রোতাদের মহুর্মুহ করতালি, উচ্ছ্বাস ও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া যেন প্রমাণ করে—প্রাণেশ দে শুধুই একজন শিশু শিল্পী নন, বরং এক সম্ভাবনাময় সুরযাত্রার উজ্জ্বল প্রতীক।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, হাওয়াইয়ান গিটারে তার শিক্ষাজীবন তখন মাত্র এক বছর। এত স্বল্প সময়ে সুর, তাল ও লয়ের উপর এমন দক্ষতা অর্জন এবং অর্কেস্ট্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশন—এ এক বিরল প্রতিভারই পরিচয় বহন করে।
এই অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার পেছনে রয়েছেন তার শিক্ষাগুরু, চট্টগ্রামের হাওয়াইয়ান গিটার অঙ্গনের অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ওস্তাদ সানু দাশগুপ্ত। তার নিপুণ দিকনির্দেশনা ও সাহসী উদ্যোগেই সম্ভব হয়েছে এমন এক ব্যতিক্রমী পরিবেশনা। পাশাপাশি, প্রাণেশ দে’র সঙ্গীতচর্চায় অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ যুগিয়েছেন তার প্রিয় দাদা, চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সুপরিচিত মুখ দুলাল কান্তি দে।
প্রাণেশ দে’র এই অসামান্য প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে “আমার টেলিভিশন” সানু দাশগুপ্ত ও দুলাল কান্তি দে’র সঙ্গে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। সেই সাক্ষাৎকার এবং প্রাণেশ দে’র অনবদ্য পরিবেশনার সমন্বয়ে নির্মিত ভিডিওটি সৃজনশীল সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন অনুপ্রেরণা যোগাবে—এই প্রত্যাশায় আমাদের এই উপস্থাপনা।