October 24, 2026, 3:37 am
শিরোনাম :
ফেসিয়াল প্লাস্টিক সার্জারি: চিকিৎসা বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মেলবন্ধন বিটিভি: ​চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিচার ও অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ ছাড়া বিটিভির আধুনিকায়ন কেবলই অর্থের অপচয়  শিশুর হাসিতে ফিরুক আত্মবিশ্বাস: প্লাস্টিক সার্জারিতে নিখুঁত রূপ পাচ্ছে বিকৃত ক্ষতচিহ্ বিটিভি কর্মীর মৃত্যু, তিন মাসের বেতন বকেয়ার প্রশ্ন—রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কি লাল ফিতার ফাঁদে? তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানার অপসারণ দাবি: বিটিভি বাঁচাও ও সমমনা জোটের কঠোর হুঁশিয়ারি মেধা বনাম আমলাতন্ত্র: বিটিভির ডিজির ক্ষমতা খর্বের নেপথ্যে কী? শিল্পকলা একাডেমিতে মিউজিক্যাল চেয়ার: রেজাউদ্দিন স্টালিনের মেয়াদ শেষ, সংস্কৃতি অঙ্গনে নতুন গুঞ্জন “সাংবাদিকরা বিত্তবান হতে চায় না, চায় নিরাপত্তা ও ন্যায্য বেতন”— জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যকে সাধুবাদ, পার্থর দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষা শিলংয়ে জন্ম, চট্টগ্রামের সঙ্গে পারিবারিক যোগ—যে ব্রিটিশ উদ্ভাবক বদলে দিলেন টাকা তোলার ইতিহাস! ​বিটিভির জন্য বড় দুঃসংবাদ: হাজার কোটি টাকার দুর্নীতিবাজ মনিরুলই হতে চলেছেন প্রধান প্রকৌশলী!
Notice :

সুরের বরপুত্র মান্না দে: জন্মজয়ন্তীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দুই বাংলার মেলবন্ধন

ফারিয়া লিমা || বিনোদন প্রতিবেদক || আমার টেলিভিশন

“​মান্না দে সংগীত একাডেমির পথচলা: সুরের ধ্রুবতারাকে ছুঁয়ে থাকার অঙ্গীকার”

কলকাতায় ১ মে ২০২৬ সুরসাধক মান্না দে-র ১০৭তম জন্মতিথি এবং তাঁর স্মৃতিধন্য ‘মান্না দে সংগীত একাডেমি, কলকাতা’-র গৌরবময় ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো।

এই মাহেন্দ্রক্ষণে বাংলাদেশ গিটার শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও মান্না দে সংগীত একাডেমির উপদেষ্টা খালিদ খলিল-এর উদ্যোগে সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে গ্রহণ করা হয় এক বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ক্ষুদ্র ব্যতিক্রমী প্রয়াস।

​সঙ্গীত জগতের এই মহীরুহ জীবিত থাকাকালীন তাঁর ভাই, প্রখ্যাত সুরকার প্রভাস দে-র হাত ধরে উন্মোচিত হয়েছিল এই একাডেমির দ্বার। মান্না দে-র কালজয়ী গান এবং সঙ্গীতে তাঁর অতুলনীয় অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি এক আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ডক্টর গৌতম রায়ের অদম্য প্রচেষ্টা ও সুযোগ্য নেতৃত্বে দুই বাংলার সঙ্গীতপিপাসুদের মাঝে মান্না দে-র দর্শন ও সৃষ্টি আজ অম্লান।

​খালিদ খলিল তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, ডক্টর গৌতম রায়ের এই নিরলস কর্মকাণ্ড দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে। আমাদের প্রত্যাশা, মান্না দে-র আদর্শকে ধারণ করে তাঁর কর্মকাণ্ডের আলোয় আমরা প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ হবো এবং দুই বাংলায় তাঁর স্মৃতিকে অমলিন রেখে আগামীর পথে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাব।