
শ্যালিকার মেয়ের হাউস টিউটর থেকে একুশে পদক: সৃজনশীলতার সঙ্গে মশকরা?
“প্রভাব-প্রতিপত্তির ছায়ায় নৃত্যকলার সর্বোচ্চ সম্মান”
একুশে পদক—যে সম্মান আজীবন সাধনা, সুদীর্ঘ অবদান ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক—তা কি এখন সুপারিশের সিঁড়ি বেয়ে উঠছে? ২০২৬ সালে নৃত্য বিভাগে তরুণ নৃত্যশিল্পী অর্থি আহমেদের নাম ঘোষণাকে ঘিরে সংস্কৃতি অঙ্গনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। ১৮–২৫ বছরের এই শিল্পীর শিক্ষাকালই যেখানে সমাপ্ত নয়, সেখানে “অসামান্য অবদান”-এর মানদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হলো—সে জিজ্ঞাসা এখন ক্ষোভের আগুন জ্বালাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে, সদ্য ক্ষমতা হারানো বিতর্কিত সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি খাটিয়ে নিজ হাতে পদক তুলে দিয়েছেন। শ্যালিকার মেয়ের হাউস টিউটর হওয়া কি তবে নৃত্যকলায় অসামান্য অবদানের নতুন সংজ্ঞা?
একুশে পদকের গায়ে কালিমা নয়, চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। সংশ্লিষ্টদের সংস্কৃতির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ২০২৬ সালের নৃত্য বিভাগে প্রদত্ত পদক অবিলম্বে পুনর্বিবেচনার দাবি জোরালো হচ্ছে; নতুবা শিল্পীরা সৃজনশীল প্রতিবাদে মুখর হবেন।